আমার প্রিয় ছাত্রী- প্রিয় মুখ!

আমার প্রিয় ছাত্রী

প্রিয় মুখ!

নূরুল ইসলাম

অধ্যাপক, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনষ্টিটিউট

ঢাকা, বিশ্ববিদ্যালয়।

 আমি অর্নাস ও মাস্টার্স ক্লাসে পাওশিকে পাঠদান করেছি, তাকে চেনার মতো সবচেয়ে বড় উদাহরণ হল ভালো কথা, ভালো ব্যবহার এবং অনুষ্ঠানে গান পরিবেশনের এক উজ্জ্বল তারকা। সে ক্লাসে ছিল সবার মধ্যমনী ও মিষ্ঠভাষী। তার আচরনে আমরা সবাই মুগ্ধ ছিলাম। এমন হাস্যজ্জ্বল, প্রাণ চঞ্চল ছাত্রী খুব কমই পাওয়া যায়।

শিক্ষক হিসেবে তার আচরনে মুগ্ধ ছিলাম। ক্লাসের বাইরে কখনো কখনো বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য আমাকে রিং দিত।

দীর্ঘ দুই বছর তার সাথে আমার দেখা নেই। হঠাৎ জানলাম যে এই পৃথিবী ছেড়ে অন্য পৃথিবীতে গেছে। তাও তো প্রায় কত বছর হলো। সে স্মৃতিতে জেগে আছে। তার হাসির মধ্যে দিয়ে সে আমার মনের মাঝে টিকে আছে। অকালে ঝরে যাওয়ার এই মুখটি আমার মনে পড়ে। যতদিন বেঁচে থাকবো, ততদিন আমার স্মৃতিতে সে থাকবে। এভাবে আমরা ও এ পৃথিবী থেকে বিদায় নিবো আর পড়ে থাকবে কিছু স্মৃতি। তারপর ও যতদিন নশ্বর পৃথিবীতে থাকবো, বৈশাখীর মতো মানুষদের কথা মনে পড়বে বার বার।

তার স্মরণে আমি শেষে বলতে চাই

ওপারে কেমন আছো?

এপারের যাত্রী আমি

সামনে তো অনেক জল, অনেক দূর;

কুয়াশায় কিছু দেখা যাই না।

ধূ ধূ লাগে

নি:স্তব্ধতা

সবকিছুই যে অবাক লাগে।

ওপারে, তুমি গেছো।

আমরা এপারে আছি।

তোমাকে শান্তির শুছেচ্ছা জানাই।

আবারও দেখা হবে,

হে-গানের পাখি;

পরপারির কোন এক ঠিকানায়!

Leave a Reply